মূল অংশে যান
সংশোধন

NID কার্ডের ভুল তথ্য সংশোধনের নিয়ম

নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম বা ঠিকানায় ভুল থাকলে অনলাইনেই সংশোধনের আবেদন করা যায়। কোন সংশোধনে কী কাগজ লাগবে, কত সময় লাগে — সবটা এখানে।

৬টি ধাপ

আবেদন করার প্রক্রিয়া

  1. পোর্টালে লগইন করুন

    services.nidw.gov.bd-তে নিজের অ্যাকাউন্টে ঢুকুন।

  2. "প্রোফাইল" থেকে "এডিট" চাপুন

    কোন তথ্যটি বদলাতে চান সেটি বেছে নিন — নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা বা অন্য কিছু।

  3. সঠিক তথ্য লিখুন

    যা ভুল আছে সেটুকুই বদলান। যেটি ঠিক আছে তাতে হাত দেবেন না — অকারণে বদলালে আবেদন বাতিল হতে পারে।

  4. প্রমাণপত্র আপলোড করুন

    নিচের তালিকা দেখে বুঝে নিন কোন সংশোধনে কী কাগজ লাগবে। স্ক্যান বা স্পষ্ট ছবি তুলে আপলোড করুন।

  5. ফি পরিশোধ করুন

    বিকাশ, নগদ বা রকেট দিয়ে নির্ধারিত সরকারি ফি অনলাইনেই দেওয়া যায়। ফি-এর পরিমাণ কী সংশোধন করছেন তার উপর নির্ভর করে।

  6. আবেদনের অবস্থা দেখুন

    জমা দেওয়ার পর "আবেদনের অবস্থা" থেকে অগ্রগতি দেখতে পারবেন। SMS-এও জানানো হয়।

কাগজপত্র

কোন সংশোধনে কী প্রমাণ লাগে

সঠিক কাগজ ছাড়া আবেদন করলে বাতিল হয়ে যায় এবং ফি ফেরত পাওয়া যায় না। তাই আগে মিলিয়ে নিন।

নিজের নাম (বাংলা ও ইংরেজি)

যেকোনো একটি বা একাধিক
  • শিক্ষাগত সনদ (SSC/সমমান)
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ
  • পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স

বানানের ছোট ভুল অপেক্ষাকৃত সহজে সংশোধন হয়; নাম পুরো বদলাতে চাইলে বাড়তি কাগজ ও সময় লাগে।

জন্ম তারিখ

যেকোনো একটি বা একাধিক
  • শিক্ষাগত সনদ
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ
  • পাসপোর্ট
  • সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সার্ভিস বুক

সবচেয়ে কড়াকড়ি এই ক্যাটাগরিতে — একাধিক প্রমাণ চাওয়া হতে পারে এবং সময়ও বেশি লাগে।

পিতা বা মাতার নাম

যেকোনো একটি বা একাধিক
  • পিতা/মাতার NID কার্ড
  • নিজের শিক্ষাগত সনদ
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ

পিতা-মাতার NID-তে নামের যে বানান আছে, নিজের কার্ডেও সেটিই দিতে হবে।

ঠিকানা

যেকোনো একটি বা একাধিক
  • বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানির বিল
  • বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্র
  • হোল্ডিং ট্যাক্সের রসিদ

ভোটার এলাকা বদলাতে চাইলে ফরম-১৩ পূরণ করে আলাদা আবেদন করতে হয়।

রক্তের গ্রুপ

যেকোনো একটি বা একাধিক
  • স্বীকৃত হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট

তুলনামূলক সহজ সংশোধন — সাধারণত দ্রুত অনুমোদন হয়।

ছবি বা স্বাক্ষর

যেকোনো একটি বা একাধিক
  • সশরীরে উপস্থিতি প্রয়োজন

অনলাইনে হয় না। উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে নতুন করে বায়োমেট্রিক দিতে হয়।

মনে রাখুন

যা জেনে রাখা ভালো

সময় কত লাগেসংশোধনের ধরন অনুযায়ী সময় আলাদা। রক্তের গ্রুপের মতো সহজ সংশোধন তুলনামূলক দ্রুত হয়; নাম বা জন্ম তারিখের মতো সংশোধন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য অনেক বেশি সময় নেয় এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসে সশরীরে ডাকা হতে পারে।
ছবি ও স্বাক্ষর অনলাইনে বদলানো যায় নাছবি, স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ বদলাতে হলে উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে নতুন করে বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হয়।
মোবাইল নম্বর পরিবর্তনও অফিসেNID-এর সাথে যুক্ত মোবাইল নম্বর অনলাইনে বদলানো যায় না। NID বা স্লিপের কপি এবং নতুন সিমটি নিয়ে নির্বাচন অফিসে যেতে হবে।