NID কার্ডের ভুল তথ্য সংশোধনের নিয়ম
নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম বা ঠিকানায় ভুল থাকলে অনলাইনেই সংশোধনের আবেদন করা যায়। কোন সংশোধনে কী কাগজ লাগবে, কত সময় লাগে — সবটা এখানে।
আবেদন করার প্রক্রিয়া
- ১
পোর্টালে লগইন করুন
services.nidw.gov.bd-তে নিজের অ্যাকাউন্টে ঢুকুন।
- ২
"প্রোফাইল" থেকে "এডিট" চাপুন
কোন তথ্যটি বদলাতে চান সেটি বেছে নিন — নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা বা অন্য কিছু।
- ৩
সঠিক তথ্য লিখুন
যা ভুল আছে সেটুকুই বদলান। যেটি ঠিক আছে তাতে হাত দেবেন না — অকারণে বদলালে আবেদন বাতিল হতে পারে।
- ৪
প্রমাণপত্র আপলোড করুন
নিচের তালিকা দেখে বুঝে নিন কোন সংশোধনে কী কাগজ লাগবে। স্ক্যান বা স্পষ্ট ছবি তুলে আপলোড করুন।
- ৫
ফি পরিশোধ করুন
বিকাশ, নগদ বা রকেট দিয়ে নির্ধারিত সরকারি ফি অনলাইনেই দেওয়া যায়। ফি-এর পরিমাণ কী সংশোধন করছেন তার উপর নির্ভর করে।
- ৬
আবেদনের অবস্থা দেখুন
জমা দেওয়ার পর "আবেদনের অবস্থা" থেকে অগ্রগতি দেখতে পারবেন। SMS-এও জানানো হয়।
কোন সংশোধনে কী প্রমাণ লাগে
সঠিক কাগজ ছাড়া আবেদন করলে বাতিল হয়ে যায় এবং ফি ফেরত পাওয়া যায় না। তাই আগে মিলিয়ে নিন।
নিজের নাম (বাংলা ও ইংরেজি)
- শিক্ষাগত সনদ (SSC/সমমান)
- জন্ম নিবন্ধন সনদ
- পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স
বানানের ছোট ভুল অপেক্ষাকৃত সহজে সংশোধন হয়; নাম পুরো বদলাতে চাইলে বাড়তি কাগজ ও সময় লাগে।
জন্ম তারিখ
- শিক্ষাগত সনদ
- জন্ম নিবন্ধন সনদ
- পাসপোর্ট
- সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সার্ভিস বুক
সবচেয়ে কড়াকড়ি এই ক্যাটাগরিতে — একাধিক প্রমাণ চাওয়া হতে পারে এবং সময়ও বেশি লাগে।
পিতা বা মাতার নাম
- পিতা/মাতার NID কার্ড
- নিজের শিক্ষাগত সনদ
- জন্ম নিবন্ধন সনদ
পিতা-মাতার NID-তে নামের যে বানান আছে, নিজের কার্ডেও সেটিই দিতে হবে।
ঠিকানা
- বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানির বিল
- বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্র
- হোল্ডিং ট্যাক্সের রসিদ
ভোটার এলাকা বদলাতে চাইলে ফরম-১৩ পূরণ করে আলাদা আবেদন করতে হয়।
রক্তের গ্রুপ
- স্বীকৃত হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট
তুলনামূলক সহজ সংশোধন — সাধারণত দ্রুত অনুমোদন হয়।
ছবি বা স্বাক্ষর
- সশরীরে উপস্থিতি প্রয়োজন
অনলাইনে হয় না। উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে নতুন করে বায়োমেট্রিক দিতে হয়।