মূল অংশে যান
নম্বর যাচাই

NID নম্বর ১০, ১৩ ও ১৭ সংখ্যা — পার্থক্য কী

বাংলাদেশে তিন ধরনের NID নম্বর চালু আছে এবং তিনটিই বৈধ। কিন্তু কোন ফরমে কোনটি কাজ করবে তা আলাদা — আর ১৩ সংখ্যার নম্বরটি অনেক জায়গায় সরাসরি গ্রহণ করে না।

টুল

আপনার নম্বরটি দিয়ে দেখুন

NID নম্বর যাচাই ও রূপান্তর

আপনার নম্বরটি কোন ধরনের, আর কোথায় কোনটি লাগবে — জেনে নিন।

কোথায় কোন নম্বর দেবেন? ব্যাংক, সিম নিবন্ধন ও বেশিরভাগ অনলাইন ফরমে এখন ১০ সংখ্যার স্মার্ট কার্ড নম্বর চায়। পুরনো কাগজপত্রে ১৭ সংখ্যার নম্বর থাকতে পারে — দুটিই একই ব্যক্তির, বাতিল হয়নি।

তুলনা

তিন ধরনের নম্বর

১০সংখ্যা

স্মার্ট কার্ড NID

কোথায় পাবেন
বর্তমানে সব নতুন কার্ডে
কোথায় লাগে
ব্যাংক, সিম নিবন্ধন, পাসপোর্ট, চাকরির আবেদন — এখন প্রায় সব জায়গায়

এটিই আপনার স্থায়ী পরিচয় নম্বর।

১৭সংখ্যা

পুরাতন NID (জন্ম সালসহ)

কোথায় পাবেন
পুরনো লেমিনেটেড কার্ডে
কোথায় লাগে
পুরনো দলিল, জমির কাগজ ও সরকারি নথিতে

প্রথম ৪ সংখ্যা আপনার জন্ম সাল।

১৩সংখ্যা

পুরাতন NID (জন্ম সাল ছাড়া)

কোথায় পাবেন
সবচেয়ে পুরনো কার্ডে
কোথায় লাগে
অনেক অনলাইন ফরমে এটি গ্রহণ করে না

সামনে জন্ম সাল বসিয়ে ১৭ সংখ্যা করে নিন।

প্রায়ই জিজ্ঞাসা

দুটি নম্বর মানে কি দুটি পরিচয়?

না। পুরনো ১৩ বা ১৭ সংখ্যার নম্বর এবং নতুন ১০ সংখ্যার স্মার্ট কার্ড নম্বর একই ব্যক্তির — নির্বাচন কমিশনের ডেটাবেসে দুটিই আপনার সাথেই যুক্ত। পুরনো নম্বরটি বাতিল হয়ে যায়নি, তাই পুরনো দলিল বা সনদে সেটি থাকলে সমস্যা নেই।

তবে নতুন কোনো আবেদন করার সময় ১০ সংখ্যার স্মার্ট কার্ড নম্বরটিই দেওয়া ভালো, কারণ বেশিরভাগ সরকারি ও বেসরকারি সিস্টেম এখন সেটিই যাচাই করে।

যা করবেন নাঅন্য কারও NID নম্বর দিয়ে তথ্য বের করার চেষ্টা করবেন না। নির্বাচন কমিশনের সিস্টেমে ফেস ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক, তাই এটি সম্ভবও নয়; আর অনুমতি ছাড়া অন্যের পরিচয়ের তথ্য সংগ্রহ বা ব্যবহার বাংলাদেশের আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।